পুরুষের মনস্তত্ত্ব বুঝলে সংসার হবে শান্তির নীড় – লড়াই হোক পরিস্থিতির বিরুদ্ধে
সংসার জীবনে মান-অভিমান বা ছোটখাটো ঝগড়া হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু অনেক সময় সামান্য কথা থেকেই বড় ধরনের অশান্তি সৃষ্টি হয়। আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, আপনার স্বামী বা সঙ্গী কোনো কথা বলার সময় হুট করেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন? এর পেছনে কাজ করে এক গভীর মনস্তত্ত্ব।
পুরুষের অক্ষমতার ভয়
পুরুষেরা সাধারণত নিজেদের ‘অক্ষম’ হিসেবে দেখতে অপছন্দ করে। যখন কোনো স্ত্রী তার কষ্টের কথা বলেন, অনেক সময় পুরুষ সেটি নিজের ব্যর্থতা বা অভিযোগ হিসেবে ধরে নেয়। পুরুষ মনে করে ,আপনি তাকে দোষী সাব্যস্ত করছেন। এই অক্ষমতার অনুভূতি থেকে বাঁচতেই সে নিজেকে রক্ষা করতে চায়। আর এ কারনেই উত্তেজিত হয়ে পড়ে।
ঝগড়ার সময় যা এড়িয়ে চলবেন
সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চান। তাহলে ঝগড়ার সময় ব্যাক্তিগত আক্রমন করবেন না। নিচের কথাগুলো সঙ্গী সরাসরি নিজের ওপর ব্যক্তিগত আক্রমণ হিসেবে গ্রহণ করে:
-
“এ সবকিছুর জন্য তুমিই দায়ী”।
-
“তোমার ব্যক্তিত্ব বলে কিছু নেই”।
-
“যদি তুমি এমন করতে, তাহলে পরিস্থিতি এমন হতো না”।
বিছানায় যেভাবে স্ত্রীকে সুখী করবেন

সমাধান কী?
সমাধান হলো আপনার কথা বলার ভঙ্গি পরিবর্তন করা। সঙ্গীর ব্যক্তিত্বে আঘাত না করে বরং পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলুন। তাকে বোঝান যে আপনি পরিস্থিতির ওপর ক্ষুব্ধ, তার ওপর নয়। মনে রাখবেন, মানুষ যখন কাউকে প্রচণ্ড ভালোবাসে, তখনই তার সান্নিধ্য পাওয়ার জন্য বা গুরুত্ব পাওয়ার জন্য লড়াই করে।
শেষ কথা
দাম্পত্য জীবনে লড়াই হওয়া মানে ভালোবাসা ফুরিয়ে গেছে ? না, বিষয় টা এমন নয়। বরং লড়াই হোক সেই জিনিসগুলোর জন্য যা আমরা ভালোবাসি। একে অপরের মনস্তত্ত্ব বুঝে কথা বললে সংসার হয়ে উঠবে প্রকৃত শান্তির স্থান।
সংসার সুখের করতে ডঃ আহাম্মদউল্লাহ কি বলছেন

লেখক – সেলিম হোসেন – তাং – ০৫/০৫/২০২৬ ইং – প্রতীকী ছবি গুলো পেক্সেলস থেকে নেয়া।

