আয়কর অফিস বনাম পোল্ট্রি মালিক: কার বুদ্ধি বেশি? ২ টি বাংলা মজার গল্প Income Tax Office vs Poultry Owner: Who is smarter? 2 Bengali funny stories

বাংলা মজার গল্প

২ টি বাংলা মজার গল্প 

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেক সময় পরিস্থিতির চাপে পড়ে আমাদের কথা বা কাজের ধরন পাল্টাতে হয়। কখনো সেটা নিরাপত্তার খাতিরে, আবার কখনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা এড়াতে। আজ আপনাদের সাথে এমনই দুটি মজার ঘটনা শেয়ার করছি।

১. নিরাপত্তার ‘অদ্ভুত’ দাওয়াই

ভারতের ভিআইপি (VIP) নিরাপত্তা তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের জন্য জারি করা নির্দেশাবলীতে কিছু কড়া নিয়ম থাকে। চরমপন্থীদের আক্রমণ থেকে বাঁচতে তাঁদের জীবনযাত্রায় বৈচিত্র্য আনা জরুরি। নির্দেশগুলো অনেকটা এরকম:

  • কখনোই নিয়মিত একই রুটিন বা সময়সূচি মেনে চলবেন না।

  • প্রতিদিন সকালে বা বিকেলে একই সময়ে একই পার্কে হাঁটতে যাওয়া যাবে না।

  • খাবার খাওয়ার জন্য প্রতিদিন একই রেস্টুরেন্ট বেছে নেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে।

এই সব গম্ভীর সতর্কবার্তা শুনে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের নাড়িনক্ষত্র জানা এক ব্যক্তি রসিকতা করে টিপ্পনী কাটলেন— “নিরাপত্তা যদি বজায় রাখতেই হয়, তবে প্রতি রাতে একই বিছানায় একই মহিলার সাথে রাত কাটানোও কি বাদ দিতে হবে?”

কিটোসিস একটিভ রেখে ওজন কমাতে পারের দারুনভাবে 

বাংলা মজার গল্প
বাংলা মজার গল্প

বাংলা মজার গল্প 

২. পোল্ট্রি মালিকের মহাবিপদ ও অদ্ভুত সমাধান

এক পোল্ট্রি খামারির মুরগির ডিম আর বাচ্চা বাজারে খুব নামডাক করেছে। কিন্তু এই সাফল্যই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়াল। দেখুন কীভাবে উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে তিনি পরিস্থিতির সামাল দিলেন:

প্রথম দৃশ্য (আয়কর আতঙ্ক): এক ব্যক্তি এসে মুরগির স্বাস্থ্যের প্রশংসা করে জানতে চাইলেন, “এত ভালো ডিমের রহস্য কী? মুরগিদের কী খাওয়ান?” মালিক গর্ব করে বললেন, “সেরা সব খাবার! আলমণ্ড, পেস্তা বাদাম আর খাঁটি ঘি মিশিয়ে খাওয়াই।” শুনেই লোকটির উত্তর, “দারুণ! আমি আয়কর বিভাগ থেকে এসেছি। এবার বলুন, এই বিলাসিতার টাকা আপনি কোথায় পান?”

দ্বিতীয় দৃশ্য (নিষ্ঠুরতা প্রতিরোধ): আগের ঘটনার পর মালিক সাবধান হলেন। পরের বার অন্য একজন একই প্রশ্ন করলে তিনি ভয়ে বলে বসলেন, “আমি এদের কিছুই খেতে দেই না, সবসময় ক্ষুধার্ত রাখি।” লোকটি এবার রেগে গিয়ে বললেন, “আমি পশু সুরক্ষা সমিতি থেকে এসেছি। প্রাণীদের ওপর এই নিষ্ঠুরতার জন্য আপনাকে জরিমানা করছি!”

তৃতীয় দৃশ্য (চরম সমাধান): পরপর দুই বিপদে পড়ে মালিক এবার মহাচতুর হয়ে গেলেন। তৃতীয় এক ব্যক্তি যখন এসে একই প্রশ্ন করলেন, মালিক অত্যন্ত শান্তভাবে উত্তর দিলেন:

“ভাই, আমি এখন আর খাবারের ঝামেলায় যাই না। প্রতিদিন প্রত্যেক মুরগিকে হাতে ৫০ পয়সা করে দিয়ে দেই। যার যা পছন্দ, সে বাজার থেকে কিনে খেয়ে নেয়!”

 

শেষ কথা: কখনো কখনো জীবন থমকে যায়। এমন এক জায়গায় দাঁড় করিয়ে দেয় যেখানে সত্যি বললেও বিপদ, আর মিথ্যে বললেও বিপদ। তখন এই পোল্ট্রি মালিকের মতো উপস্থিত বুদ্ধিকে আমরাও কাজে লাগাতে পারি।

মোশাররফ করিমের হাসির নাটক টি দেখতে ভালই লাগবে আপনার 

লেখক সেলিম হোসেন – তাং ২৬/১২/২০২৫ ইং – ছবি এআই জেনারেটেটেড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *