পেটে খারাপ ব্যাকটেরিয়া বেড়ে গেছে কি না বুঝবেন কীভাবে? জেনে নিন ৫টি প্রধান লক্ষণ ও প্রতিকার।

পেটে খারাপ ব্যাকটেরিয়া

পেটের খারাপ ব্যাকটেরিয়া কমাতে হবে? কারন আপনার অন্ত্রের স্বাস্থ্যই হলো শরীরের সুস্থতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং মেজাজের কারন। আজকের লেখায় বলব, কীভাবে প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাবার ব্যবহার করে প্রাকৃতিকভাবে পেটের ভারসাম্য রাখবেন। খারাপ ব্যাকটেরিয়ার লক্ষণগুলো চিনবেন এবং দীর্ঘমেয়াদী সুস্থতা নিশ্চিত করবেন। চলেন পড়তে শুরু করি।

পেটে খারাপ ব্যাকটেরিয়া মারতে যা খাবেন এবং যা বর্জন করবেন 

১. ভূমিকা: অন্ত্রের স্বাস্থ্য শুধু হজমের জন্য নয়, বরং মেজাজ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য অপরিহার্য। শরীরের মাইক্রোবায়োম বা ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য কেন ঠিক রাখতে হবে ?

২. আপনার সুস্থ অন্ত্র বা পেট যা করে:

  • শ্লেষ্মা আবরণ (Mucus Layer): এটি অন্ত্রের কোষকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে বাঁচায়।

  • ল্যাকটোব্যাসিলাস: অন্ত্রের pH লেভেল ঠিক রাখে এবং ক্ষতিকর খামির (Yeast) রোধ করে।

  • ডিসবায়োসিস: ভারসাম্যহীনতা হলে ডায়াবেটিস বা স্থূলতার মতো সমস্যা হতে পারে।

৩. অন্ত্র-মস্তিষ্ক অক্ষ (Gut-Brain Axis): অন্ত্র সরাসরি মস্তিষ্কের সাথে যোগাযোগ করে। সেরোটোনিন (সুখের হরমোন) এবং লেপটিন উৎপাদনে অন্ত্রের ভূমিকা অপরিসীম।

পেটের বাজে ব্যাকটেরিয়া আরও জানতে ভিডিও টি দেখতে পারেন 

পেটে খারাপ ব্যাকটেরিয়া
পেটে খারাপ ব্যাকটেরিয়া

৪. পেটে খারাপ ব্যাকটেরিয়ার লক্ষণ:

  • হজমের ব্যাঘাত: গ্যাস, পেট ফাঁপা বা আইবিএস (IBS)।

  • মানসিক অবসাদ: উদ্বেগ বা কাজে মনোযোগের অভাব।

  • ত্বকের সমস্যা: ব্রণ বা একজিমা।

  • চিনির আকাঙ্ক্ষা: অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা।

৫. কী খাবেন এবং কী বর্জন করবেন?

  • সেরা খাবার: টক দই, সাউয়ার ক্রাউট, কিমচি, কলা, রসুন এবং আঁশযুক্ত সবজি (প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক)।

  • বর্জনীয় খাবার: প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত চিনি, এবং GMO যুক্ত শস্য ( যেমন – গম থেকে তৈরি যে কোন খাবার )।

৬. কার্যকরী সাপ্লিমেন্ট ও সময়সীমা: অন্ত্রের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করে পূর্ণ সুস্থতা পেতে ২৪ ঘণ্টা থেকে ৬ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। ধৈর্য ধরে নিয়মিত খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন জরুরি। পাশাপাশি খেতে পারে Health oxide digestive enzyme  

পেটে খারাপ ব্যাকটেরিয়া
পেটে খারাপ ব্যাকটেরিয়া

Reference : Dr Eric berg, Dr Mujibul Haque, Dr Jahangir Kabir, Dr Mujibur Rahman, Dr Mandell, Dr Jason Faung, Dr Sten Ekberg and many medical health journals.

লেখক – সেলিম হোসেন – তাং – ৩০/০১/২০২৬ ইং – প্রতীকী ছবি গুলো এআই জেনারেটেটেড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *